একটি ‍নিরপেক্ষ জাতীয় সাপ্তাহিক

তারাগঞ্জে আমন ক্ষেতে মাজরা পোকার আক্রমণ, কৃষকরা দিশেহারা

কালধারা প্রতিবেদক : এবছর সার ও কীটনাশকের দাম বেশি।বারতি দাম মাথা নিয়ে পাঁচ বিঘা জমি চাষাবাদ করেছি। অতিবৃষ্টি বেশি হওয়ার কারণে দিনের বেলায় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় ফলে ধানের মধ্যে মাজরা, ফড়িং, কারেন্ট পোকার আক্রমণে বৃদ্ধি পারচ্ছে।গেল বছর আমরা দুইবার স্প্রে করেছিলাম তাতে কাজ হয়েছিল। কিন্তু এবার চার বার স্প্রে করার পরেও কোন কাজ হচ্ছে না। পোকার কাছে আমরা অসহায়। এইভাবে কথাগুলো বলেছিলেন সয়ার মৌলভী পাড়ার সবুজ। তিনি আরোও বলেন উপসহকারী কে! তাকে আমি চিনি না। তিনি কোনদিন আমাদের এখানে আসে না।

এছাড়াও উক্ত ইউনিয়নের মাঝাপাড়া গ্রামের কিশোরী পালের কিশোরী মহন্তর, বালাপুর গ্রামের গোলাম কিবরিয়া, রবীন্দ্রনাথ, আলমপুরের চকতাহিরা গ্রামের লিটন,হাডিয়ালকুটি ইউনিয়নের খলেয়ানন্দরাম মজুমদার, কুশা ঘনিরামপুর গ্রামের ফারুক, লিটন , ইকরচালী ইউনিয়নের শেফালী বেগমের জমিতে মাজরা দেখা দিলেও কোন পরামর্শই দেয়নি কৃষি স্যার। কিশোরী পাল মহন্ত বলেন দের বিঘা জমিতে পাঁচবারের অধিক স্প্রে করিও কোন ফল পাচ্ছি না। মাঝে মাঝে একজন গাড়িতে করি আসে কিন্তু তিনি আর গাড়ি থেকে নামেন না। রাস্তা দিয়ে আসে রাস্তা দিয়ে যায়। সরকার এত টাকা দেয় এমাক খালী গাড়ি চড়িবার জন্যে। কোন পরামর্শই দেয় না। সরে জমিনে তারাগঞ্জের আলমপুর, সয়ার,কুশা,হারিয়াল কটি,ও ইকরচালি ইউনিয়নের বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখা গেছে, কেউ কেউ জমিতে কীটনাশক স্প্রে করছে, আবার কেউ কেউ নিলেনি, দিচ্ছে আবার কেউ কেউ সার ছিটাচ্ছে। কোন কোন ক্ষেত্রে ধান গাছ মরে ফাকা হয়ে আছে।

বিরাবাড়িগ্রামের কৃষক বেংটু বলেন জমিতে সার দিতে পারতেছি না। সার চাইতে গেলে ডিলাররা বলেন সার নাই। যদি বস্তা ভর্তি ১০০ থেকে ২০০ টাকা বেশি দেন তাহলে সার পাওয়া যায়। আগে স্প্রে করতে ২০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে খরচ হতো। এখন একবার স্প্রে করতে ৫০০ টাকা মোত লাগে। তাতেও কাজ হয় না। পোকা মরে না। কি যে ঔষধকোম্পানিগুলো বেচে কৃষি কর্মকর্তা দেখেনা। এবার যে হামার মরন ছাড়া উপায় নেই। ফলনও ভালো হবে না।উপজেলা কৃষি অফিসে সুএে জানা গেছে এ বছরে দশহাজার ২০০ বিশ হেক্টর জমিতে আমন রোপন করা হয়েছে। এ সকল বিষয়ে কৃষি কর্মকর্তা ধীবা সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন আমরা লিফলেট বিতরণ করছি। মাঠ পর্যায়ে। উঠান বইটোক করতেছি। আমরা আমার যথাসাধ্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
কালধারা/এআর