একটি ‍নিরপেক্ষ জাতীয় সাপ্তাহিক

রংপুরের বাজারে রসালো ফল লিচুর সমাহার, দাম চড়া কালধারা প্রতিবেদক : রংপুরের বাজারে রসালো ফল লিচুর সমাহার থাকলেও সাধারণ মানুষের নাগালে বাইরে রয়েছে। দাম চড়া হওয়ায় অল্প আয়ের ক্রেতারা সুস্বাদু ফলটি কিনতে পারছেন না। জানা গেছে, রংপুরের বাজারে থরে থরে ছেয়েছে মধুমাসের রসালো ফল লিচু। রকমারি লিচুর পসরা সাজিয়ে ক্রেতাদের অপেক্ষায় ব্যবসায়ীরা। সবুজ পাতার আড়ালে দুর থেকে নজর কাড়ছে টুইটম্বর লিচু। বাজারে প্রবেশ করেই লিচুর ফ্যাকাসে রং ও আকার বলে দিচ্ছে অপরিপক্কতেই বাড়তি দামের আশায় বাজার দখল করেছে এই সুস্বাদু ফলটি। দাম চড়া থাকায় কেউ কম কিনছেন আবার কেউ কেউ হাত সরিয়ে নিচ্ছেন,এমন চিত্রই দেখা গেছে পুরো বাজার ঘুরে। বাজারে সারি সারি সাজানো হয়েছে বেদেনা, মাদ্রাজি ও দেশি জাতের লিচু। এই ৩ জাতের লিচুর রাজ্যে এখনো স্থান পায়নি চায়না লিচু। দেশীয় লিচুর দাপট কমাতে বাজারে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে চায়না লিচুর বাগানীরা। জাতভেদে লিচু বিক্রি হচ্ছে ২৫০-১৩০০ টাকা। রংপুর সিটি বাজার সংলগ্ন লিচু ব্যবসায়ীরা বলেন,বাজারে নতুন লিচু উঠেছে তবে দাম বেশি থাকায় ক্রেতা কম। বেশির জায়গায় কম করে লিচু কিনছেন ক্রেতারা। আবার দাম শুনে অনেকেই ঘুরে যাচ্ছেন। আস্তে আস্তে লিচুর আমদানির সাথে দাম স্বাভাবিক হলে বাজার জমজমাট হবে। দাম বেশি হলেও নতুন ফলের স্বাদ পেতে বাজারে এসেছেন ক্রেতারা। দরদাম করে পরিবারের সদস্যদের মুখে এই ফল তুলে দিতে কিনছেন তারা।লিচু কিনতে আসা ক্রেতা বলেন,নতুন ফল বাচ্চাদের জন্য কিনতে আসছি। এসে শুনি সর্বনিম্ন ১০০ লিচু বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা। একদিনে উপার্জন করছি ৩৫০ টাকা, তাই ৫০ টা লিচু কিনলাম বাচ্চার আবদার রাখার জন্যে। করার কিছু নাই, আমাদের মত গরীব মানুষের নাগালের বাহিরে ফল। একদিকে বাজারে এখন বিক্রি হচ্ছে,বেশিরভাগই অপরিপক্ক লিচু। এর অনেক লিচুই স্বাদহীন, টক ও শক্ত। এতে করে লিচুর আসল স্বাদ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ ভোক্তারা। অপরদিকে মূল্য বেশ চড়া থাকায় অনেকের সাধ থাকলেও সাধ্য নেই পুরো পন কেনার। ফলে অধিকাংশ ক্রেতা কিনছেন হাফ পণ লিচু। আমদানি বাড়ার সাথে সাথে কমবে লিচুর দাম, বেচাকেনাও ভালো হবে বলে প্রত্যাশা ব্যবসায়ীদের। কালধারা/এআর

রংপুরের বাজারে রসালো ফল লিচুর সমাহার, দাম চড়া
কালধারা প্রতিবেদক : রংপুরের বাজারে রসালো ফল লিচুর সমাহার থাকলেও সাধারণ মানুষের নাগালে বাইরে রয়েছে। দাম চড়া হওয়ায় অল্প আয়ের ক্রেতারা সুস্বাদু ফলটি কিনতে পারছেন না। জানা গেছে, রংপুরের বাজারে থরে থরে ছেয়েছে মধুমাসের রসালো ফল লিচু। রকমারি লিচুর পসরা সাজিয়ে ক্রেতাদের অপেক্ষায় ব্যবসায়ীরা। সবুজ পাতার আড়ালে দুর থেকে নজর কাড়ছে টুইটম্বর লিচু। বাজারে প্রবেশ করেই লিচুর ফ্যাকাসে রং ও আকার বলে দিচ্ছে অপরিপক্কতেই বাড়তি দামের আশায় বাজার দখল করেছে এই সুস্বাদু ফলটি। দাম চড়া থাকায় কেউ কম কিনছেন আবার কেউ কেউ হাত সরিয়ে নিচ্ছেন,এমন চিত্রই দেখা গেছে পুরো বাজার ঘুরে।

বাজারে সারি সারি সাজানো হয়েছে বেদেনা, মাদ্রাজি ও দেশি জাতের লিচু। এই ৩ জাতের লিচুর রাজ্যে এখনো স্থান পায়নি চায়না লিচু। দেশীয় লিচুর দাপট কমাতে বাজারে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে চায়না লিচুর বাগানীরা। জাতভেদে লিচু বিক্রি হচ্ছে ২৫০-১৩০০ টাকা।

রংপুর সিটি বাজার সংলগ্ন লিচু ব্যবসায়ীরা বলেন,বাজারে নতুন লিচু উঠেছে তবে দাম বেশি থাকায় ক্রেতা কম। বেশির জায়গায় কম করে লিচু কিনছেন ক্রেতারা। আবার দাম শুনে অনেকেই ঘুরে যাচ্ছেন। আস্তে আস্তে লিচুর আমদানির সাথে দাম স্বাভাবিক হলে বাজার জমজমাট হবে।

দাম বেশি হলেও নতুন ফলের স্বাদ পেতে বাজারে এসেছেন ক্রেতারা। দরদাম করে পরিবারের সদস্যদের মুখে এই ফল তুলে দিতে কিনছেন তারা।লিচু কিনতে আসা ক্রেতা বলেন,নতুন ফল বাচ্চাদের জন্য কিনতে আসছি। এসে শুনি সর্বনিম্ন ১০০ লিচু বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা। একদিনে উপার্জন করছি ৩৫০ টাকা, তাই ৫০ টা লিচু কিনলাম বাচ্চার আবদার রাখার জন্যে। করার কিছু নাই, আমাদের মত গরীব মানুষের নাগালের বাহিরে ফল।

একদিকে বাজারে এখন বিক্রি হচ্ছে,বেশিরভাগই অপরিপক্ক লিচু। এর অনেক লিচুই স্বাদহীন, টক ও শক্ত। এতে করে লিচুর আসল স্বাদ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ ভোক্তারা।

অপরদিকে মূল্য বেশ চড়া থাকায় অনেকের সাধ থাকলেও সাধ্য নেই পুরো পন কেনার। ফলে অধিকাংশ ক্রেতা কিনছেন হাফ পণ লিচু। আমদানি বাড়ার সাথে সাথে কমবে লিচুর দাম, বেচাকেনাও ভালো হবে বলে প্রত্যাশা ব্যবসায়ীদের।
কালধারা/এআর