একটি ‍নিরপেক্ষ জাতীয় সাপ্তাহিক

ওমানে পারমানবিক বৈঠক প্রথম দফার বৈঠক শেষ আরো আলোচনায় সম্মত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র

২০১৫ সালের ইরান পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরে আসার পর এটিই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে হওয়া এই বৈঠক শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

 

২০১৫ সালের ইরান পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরে আসার পর এটিই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা।

এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে হওয়া এ বৈঠক শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা অবশ্য তাৎক্ষণিকভাবে ইরান থেকে প্রকাশিত এসব খবরের সত্যতা নিশ্চিত করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তবে দুই পক্ষের মধ্যে সামনাসামনি কথা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। আলোচনা যে ভালো হয়েছে, তার ইঙ্গিতও পাওয়া যাচ্ছে।

বৈঠক শেষে উইটকফকে বহনকারী গাড়িবহরটি ওমানের রাজধানী মাসকাটে ফিরে আসে। পরে সেটাকে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের দিকে রওনা হতে দেখা যায়।

প্রায় অর্ধ-শতাব্দী ধরে বৈরী সম্পর্ক টেনে নিয়ে আসার পর দুই দেশের মধ্যে এমন আলোচনা সত্যিই আশাব্যঞ্জক। তবে এই আলোচনার ঝুঁকিও রয়েছে।

প্রসঙ্গত, শনিবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে লেখেন, পরোক্ষ আলোচনা শুরু হয়েছে। এই আলোচনাটি ওমানের মধ্যস্থতায় তাদের পরিকল্পিত স্থানে অনুষ্ঠিত হবে যেখানে ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা বসে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মাধ্যমে একে অপরের সঙ্গে নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি ও অবস্থান বিনিময় করবেন।

উল্লেখ্য, ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়ে রেখেছেন, ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হবে। অন্যদিকে ইরানি কর্মকর্তারাও বারবার পাল্টা সতর্ক করে আসছেন যে, তাদের কাছে প্রায় অস্ত্র-গ্রেড মানের ইউরেনিয়ামের মজুদ রয়েছে, যা দিয়ে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারে।