একটি ‍নিরপেক্ষ জাতীয় সাপ্তাহিক

সয়াবিন তেলের বদলে পাম অয়েল; সাকসেস অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ সিলগালা

লিটন দাশ শিবু:

বোতলে সার্টিফাইড সয়াবিন তেল উল্লেখ করে সুপার পাম অয়েল বোতলজাত করে অভিনব প্রতারণা এবং ৯০০ মি.লি. এর বোতলে ৮২০-৮৩০ মি.লি. সুপার পাম তেল দেওয়ার কারণে ক্রেতাদের সাথে প্রতারণার দায়ে চট্টগ্রাম নগরীর কালুরঘাট এলাকার সাকসেস অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ সিলগালা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।একই সাথে মেয়াদোত্তীর্ণ ভিটামিন ‘এ’ ব্যবহারসহ বিভিন্ন মেয়াদোউত্তীর্ণ কেমিক্যাল ব্যবহার করায় প্রতিষ্ঠানটিকে ২ লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়।

বুধবার ৫ মার্চ ২৫ ইং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়ের সমন্বয়ে অভিযানকালে এসব অনিয়ম ও প্রতারণা ধরা পড়ে।

অভিযানের বিষয়ে ভোক্তাধিকারের বিভাগীয় উপ-পরিচালক মো. ফয়েজ উল্যাহ বলেন, সয়াবিন কারখানায় গিয়ে দেখা যায়, তারা প্রকৃত সয়াবিন বিক্রি করছে না। যেসব সয়াবিন মোড়কজাত বোতলে বিক্রি করছে তা প্রকৃতপক্ষে পাম অয়েল। যার বাজার দাম অনেক কম। কিন্তু তারা বোতলের গায়ের মোড়কে লিখে রেখেছে ‘ফর্টিফাইড সয়াবিন’ তেল। যার দায়ে কারখানাটিকে ২ লাখ টাকা জরিমানার পাশাপাশি সাময়িক সিলগালা ও মোড়কজাত কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।জনস্বার্থে বাজার তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, এর আগেও ৯ আগস্ট ২০২০ ইং তারিখে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ও অবৈধভাবে তেল উৎপাদন করায় সাকসেস অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ নামক একই প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছিলো জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এছাড়া একই অভিযানে কাজির হাট এলাকার মেসার্স আল্লাহর দান স্টোরকে বেশি মূল্যে খোলা তেল বিক্রি এবং বোতলজাত সয়াবিন তেল লুকিয়ে রাখার অপরাধে ৫ হাজার টাকা, মেসার্স মালতি স্টোরে বেশি দামে বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি করায় ১০ হাজার টাকা, মেসার্স বিসমিল্লাহ স্টোরে সুপার পাম তেল নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি বিক্রি করায় ১৫ হাজার টাকা এবং মেসার্স স্টোরকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।